সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

অপ্রকাশিত

অফিসে যাওয়ার সময় পাশের ওই মহিলা কলেজের গেটের সামনে গিয়ে একটু রিক্সাটা থামালাম। থামিয়ে গেটের ভেতর দিয়ে একটু চোখ মেলে তাকালাম,  তাহমিনা গেটের কাছে আছে নাকি, তাই ওকে একটু দেখার জন্য। আমি আদি, একটা জব করি। মা বাবার সাথে বাসায়ই থাকি আর বাসায় থেকেই জব করি। . আর তাহমিনা হলো একটা মেয়ে, যাকে আমি পছন্দ করি। প্রথম যেদিন জব করতে অফিসে যাই সেদিন যাওয়ার সময় কলেজের সামনে ওকে দেখি আর তখনই ভালো লেগে যায়। তাই প্রতিদিন যাওয়ার সময় কলেজের ভেতর দিকে একটু উকি দিয়ে যাই, ওকে দেখার জন্য। . ওর বেশী কিছু পরিচয় জানি না, শুধু নামটা জানতে পেরেছি। রাস্তা থেকে কলেজের ভেতরে অনেক কিছু দেখা যায় অনেক ভেতর পর্যন্ত। আর তাহমিনা দেখতে অনেক সুন্দর কিন্তু আমি অতটা সুন্দর না, একটু শ্যামলা ধরনের। তাই কখনো ভালবাসার দাবি নিয়ে ওর সামনে যাইনি। . যদি আমাকে ওর পছন্দ না হয়, যদি ফিরিয়ে দেয়, তখন শুধু কষ্ট ছাড়া আর কিছু পাবো না, তার থেকে ভালো ওকে দূর থেকেই দেখে যাই। তাই আমি আমার মতো থাকি কখনো ওর সামনে ওর সাথে কথা বলতে যাইনি। যদি কিছু বলে, তখন শুধু শুধু অপমানিত হবো। . অফিসে যাওয়ার সময় একেক দিন ওকে দেখতে পাই আবার কোনো দিন দেখতে...

★বন্ধুত্ব অতঃপর ভালোবাসা★

কুয়াশাভেজা মিষ্টি একটা শীতের সকাল। কুয়াশা কাটিয়ে সবে মাত্র সূর্যের মিস্টি আলো চারিদিকে আভা ছড়াচ্ছে। ইউনিভার্সিটির সামনের একটা চায়ের টং-এ বসে খুব মনোযোগ দিয়ে গরম চায়ে ভিজিয়ে পাউরুটি খাচ্ছে হাদী । . হঠাৎ একটা রিকশা এসে থামলো টং টার পাশে। রিকশা থেকে নামছে স্পর্শীয়া । লাল রংয়ের একটা শালে  স্পর্শীয়াকে  আজ অপূর্ব লাগছে ।  . - “কি ব্যাপার ক্লাসে যাবি না?” স্পর্শীয়া র কথায় হাদীর হুশ ফেরে । - “না রে, মুড নেই।” চায়ে চুমুক দিতে দিতে বলল হাদী। . - “তোকে না বলছিলাম আমার একটা স্কেচ আর্ট করে দিতে। করেছিস ঐটা ?” - “না । টাইম কোথায় আমার?” - “তাহমিনাকে যে করে দিলি।” - “আরে ও আমাকে এর জন্য ২০০ টাকা দিছে। তুই দে, তোকেও করে দিবো।” - “টাকা নিয়ে ছবি আঁকবি? তুই না আমার বেস্ট ফ্রেন্ড” - লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চি পর্যন্ত টাকা নিতেন। উনি বলেছেন, হে বৎস ছবি এঁকে অবশ্যই টাকা নিবে। নইলে তোমার মেধার মূল্য দিবে না কেউ। - লাগবে না তোর আর্ট । এখন ক্লাসে চল। - তোকে না বললাম আজ ক্লাসে যাব না। বাংলায় তো বলছি। নাকি বাংলা ভাষা বুঝিস না। আর এখন এইখান থেকে যা তো । আমাকে একটু শান্তিতে ...

বউ

বেডরুমে বসে মেয়েটা টিভির চ্যানেল পাল্টাতে পাল্টাতে বলল, 'একটা লাইসেন্স ওয়ালা পিস্তল কিনতে হবে। টাকা জমাচ্ছি।' ছেলেটা আয়নার সামনে খুব সুন্দর করে চুলে স্পাইক করছিল। বউয়...

বুদ্ধিজীবি অব দ্যা ইয়ার

আকিজ সাহেব তার অফিসের চেয়ারে হেলান দিয়ে চোখ দু’টো বুজে নিজের কথা চিন্তা করছিলেন। চিন্তা করছিলেন আজ তিনি কোথা থেকে কোথায় এসে পৌছেছেন। চিন্তা করতে করতে হঠাৎ আকিজ সাহেব শরীরটা ঝাকি দিয়ে চোখ খোলে সোজা হয়ে বসলেন। এবং মনে মনে ভাবলেন- কি সব বাজে চিন্তা !! এই চিন্তা করার কোন মানে আছে?? আকিজ সাহেব বর্তমানে এই শহরের একজন বিরাট ব্যবসায়ী। অনেক গুলো প্রতিষ্ঠানের মালিক তিনি তবে মজার ব্যপার হলো তিনি যে সকল প্রতিষ্ঠানের মালিক তার অধিকাংশই ইলেকট্রনিক্সের প্রতিষ্ঠান। বিষয়টাকে যদি মজার ব্যপার বলি তাহলে ভুল হবে, বিষয়টা বাস্তব। আজ থেকে প্রায় ২৩ বছর আগে তিনি এই অবস্থানে ছিলেন না, তার অবস্থা ছিল খুবই নগন্য। সেই সময় কারওয়ান বাজারে তার একটি দোকান ছিল যেখানে টিভি, ফ্রিজ, এসি সহ বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিক্স পন্য মেরামত করা হতো। প্রথম দিকে লোকটি ভালই সৎ ছিল, পরবর্তী সময়ে তার ভিতরে একটু অসততা বসবাস করতে শুরু করে। এই সময় যে সকল পন্য আসত তার কাছে, সে সেগুলো ভাল ভাবে ঠিক না করে গ্রাহককে দিয়ে দিতেন। আবার অনেক সময় তিনি বলতেন এই পণ্যটি ডেথ্, এটি আর ঠিক করা যাবে না। এই বলে তিনি তাদের কাছ থেকে কম দামে পণ...

মায়াবীনি

বাংলাদেশি মেয়েগুলোর কয়েকটা মায়াবী ব্যাপার আছে, এরা ছোট বেলায়, কাপড় ছোট টুকরো করে পুতুল আর এর জামাকাপড় বানায়। নিজের পুতুল অন্য বন্ধুর পুতুলের সাথে হাসতে হাসতে বিয়ে দেয়। ...

গুন্ডি

- কি রে কাঁদছিস কেন? - তুই নেই তাই! - কে বলেছে আমি নেই? - কোথায় আছিস বল? - এইতো তোর পাশেই আছি! . - ধরতে পারছি না কেন? - আরে গাধী! হাতটা সামনে দে… হাত বাড়ালেই পাবি আমাকে! - না তুই আয়, তুই এসে আমার ...

হ্যালো! (এ কালের গল্প)

- হ্যালো। - হ্যাঁ,  শুনছি বলো। - এতক্ষণ লাগল আমার ফোন ধরতে! তুমি জান না আমি তোমাকে কত মিস করি। তুমি দেরি করে ফোন ধরলে আমার ভালো লাগে না। - আররে বাবা শাওয়ারে ছিলাম তো। এমন বাচ্চাদের মত কর কেন! - আমি তো বাচ্চাই। এই বাচ্চাটাকে একটু আদর করে দাও না। একটা পাপ্পি দাও না প্লিজ। - আমি এখন ফোন রাখছি। - এই না না। রেখ না প্লিজ। আর একটু কথা বলি! - আচ্ছা বল। - আচ্ছা তুমি এত সুন্দর কেন? শাওয়ারের পর তোমাকে নিশ্চয় আরও অনেক সুন্দর লাগছে। ভেজা কাপড়ে মেয়েদের আমার অনেক ভালো লাগে। কেমন যেন প্রতিমা প্রতিমা মনে হয়। - তা তো ভাল লাগবেই! ভেজা কাপড়ে তো আরও অনেক কিছু দেখা যায়! তোমরা ছেলেরা না সব ওই একটা বিষয় ছাড়া আর কিছুই ভাবতে পার না! - ছিঃ ছিঃ আমি কি তাই বলেছি নাকি! তুমি এত দিনেও আমাকে চিনতে পারলে না। আমি তোমাকে এত ভালোবাসি। আর তুমি কিনা...আমার খুব কষ্ট হচ্ছে। আমার ভাল লাগছে না। তুমি আমাকে এত কষ্ট কেন দাও! - উহ! আবার শুরু হল। সরি বাবা সরি। - তাহলে প্রমিজ কর আমার সাথে আর এভাবে কোথা বলবে না। - তাহলে কোনভাবে বলব? - তুমি আমার সাথে এমন কর কেন! আমি তোমাকে অনেক ভালবাসি। তুমি জানো আমি নিজেকেও এতটা ভালো...