সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পার্থক্য

মেয়েরা সহজে কাউকে প্রোপোজ করে না, অথচ ভিতরে শুরু হওয়া কারো প্রতি ক্রাশের গল্পটা ধীরে ধীরে ভালোলাগায় বদলে যায়। সেখান উথাল পাথাল ভালোবাসার ঢেউ সৃষ্টি হয়।
তবুও কি এক অদ্ভুত ক্ষমতায় সেটা তারা চেপে ধরে রাখতে পারে, গোপন করতে পারে যেকোন মূহুর্তে।
কিন্তু কখনও যদি কোন মেয়ে তার নিজের সবটুকু নারীত্বের ইগো বিসর্জন দিয়ে কোন ছেলেকে প্রোপোজ করে বসে, এবং ছেলেটি যদি রিফিউজ করে, তবে এই ইহজনমেও ছেলেটিকে সে ভুলতে পারে না।
ছেলেদের ক্ষেত্রে প্রোপোজ করাটা মেয়েদের মত অত জটিল কিছু না।
কারো প্রতি আবেগটা ক্রাশ, ভালোলাগা নাকি সাময়িক ইনফ্রাচুয়েশন সেটা বোঝার আগেই দুমদাম প্রোপোজ করে বসে।
আর অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ছেলেরা প্রোপোজ করার পর রিফিউজড হয় বলে সহ্য করার একটা অভ্যাস অনেক আগে থেকেই তৈরী হয়ে যায়।
তাই দুইদিন মন খারাপ করে পরেরদিন আবার ঠিকই পাশের বাড়ির রীতা কিংবা ক্লাশের স্পর্শীয়ার দিকে হৃদয়ের দিক সরিয়ে নেয়।
তবে কিছু মানুষ থাকে। যাদের খুব কাছে কেউ থাকলেও বুঝতে পারে না যে তাকে ভালোবাসে কিনা, তার প্রতি একটু দম আটকানো অসহ্য অনুভূতিগুলো এক কোনায় জমা আছে কি না কারন প্রকাশ হয় না কিছুই।
প্রকাশ হয় সেই কাছের মানুষটা দূরে সরে গেলে।বোঝা যায়,, বড় অদ্ভুত একটা ভালোবাসার চারাগাছ তারমধ্যে বেড়ে উঠেছিলো।
"যে ভালোবাসা কাছে থাকলে ঝাপসা হয়ে যায়, কিন্তু দূরে গেলেই স্পষ্ট হয়ে ওঠে।"
.
লিখাঃ Asadur Rahman Hadi.

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

♥ঝগড়াটে মিষ্টি বউ♥

– এই যে মিস্টার বাদাম . কথাটা শুনে বন্ধ মুখ টা হা হয়ে গেলো। পার্কের টুলে বসে বসে বাদাম খাচ্ছি। এমন সময় মেয়েলী কন্ঠে এমন ডাক। এটা নিশ্চই কল্পনার বাইরে। . – এই আমার নাম আছে। আর আপনি অাগন্তুক কোথা থেকে এসে আমাকে মিস্টার বাদাম বলছেন?? – অামি অাপনার নাম জানি না তাই বাদাম খাচ্ছেন দেখে ওটা বললাম। – মাথায় সমস্যা??? – থাকতেও পারে। – ওই অাপনি অামাকে পাগল ভাবছেন?? – হতেও তো পারেন। – অাপনাকে অাপনাকে – কি?? – অামার মাথা। – তো এটা বলতে এরকম করা লাগে?? – ওহহ এই অাপনি কে?? – এতক্ষন যার সাথে ঝগড়া করছেন. – ও মোর খোদা অামারে উঠাই নাও না ক্যান। – দাড়ি বা মই কিছু তো খোদায় দিলো না উঠবেন কি করে?? – অাপনি কি পাবনা থেকে এসেছেন?? – মরতে যাবো পাবনা?? – তো অামাকে মারতে অাসছেন কেন?? – মারতে অাসলে তো সেই কখন মেরে ফেলতাম। – তো কেন এসেছেন?? – অাপনাকে নিতে। – কোথায়?? – পাবনায়। – অাপনার মাথায় সমস্যা অাপনি যান। – অাসুন তো। – কোথায়?? – অামার সাথে। – দেখুন অামার একজনের সাথে দেখা করার কথা। – লাগবেনা সেটা। – অাপনাকে অামি চিনিনা অাপনার সাথে কোথায় যাবো?? – এতক্ষন কথা বলার পরও অচেনা?? – হুমম ...

ছোটগল্প সুইসাইড

রাগে ক্ষোভে চুপিসারে শাহেদ বাসা থেকে বের হয়ে গেল। আজ সে উদ্দেশ্যহীন, একটা চলন্ত ট্রাক বা বাসের নিচে ঝাঁপ দিয়ে সুইসাইড করবে সে। মোবাইল বেজে উঠল পকেটে। ভুল করে মোবাইল বন্ধ করেনি শাহেদ। বাসা থেকে তানিয়া ফোন করেছে। - না বলে বেড়িয়ে গেছ! কোথায় তুমি? - একটা ট্রাক বা বাসের নিচে ঝাঁপ দেব। বেশ কনফিডেন্টলি বলল শাহেদ। - ঠিক পাঁচ মিনিটের মধ্যে বাসায় না আসলে আমাকে ফ্যানের সাথে ঝুলতে দেখাবে, লাইন কেটে দিল তানিয়া। রাত সাড়ে আটটা বাজে। আশেপাশে তাকিয়ে দেখল শাহেদ, কোন রিক্সা ট্যাক্সি নেই। হেঁটে পাঁচ মিনিটের ভিতর কোন অবস্থায় বাসায় পৌঁছান সম্ভব নয়। দৌঁড় দিল শাহেদ বাসা অভিমুখে। দৌঁড়.. ..... দৌঁড়... দৌঁড়। ঠিক চার মিনিট তেত্রিশ সেকেন্ডে বাসার কলিং বেল চাপে শাহেদ।

চিরসত্য

"আজ তুমি যাকে যেভাবে কষ্ট দিচ্ছো, ঠকাচ্ছো, অবহেলা করছো, ইমোশন নিয়ে খেলতেছো, প্রতারণা করছো। ভেবো না যে তুমি পার পেয়ে যাবে। অতটা সোজা মনে করো না। হঠাৎ কোন একদিন আসবে যেদিন তুমি ঠিক একই ভাবে কারোর দ্বারা কষ্ট পাবে, ঠকে যাবে, অবহেলিত হবে, প্রতারিত হবে। আর সেই দিনটা খুব বেশি দূরে নয়... অপেক্ষায় থেকো!! . জানো তো এই পৃথিবীটা কিন্তু গোল। এখানে তুমি যা করবে, যে অন্যায় করবে, যে পাপ করবে, তা ঠিক ঘুরেফিরে কোন একদিন তোমার কাছে চলে আসবেই। আসতে বাধ্য... তোমার কারণে যদি কারোর চোখ থেকে এই ফোটা পানিও পড়ে যায়, অপেক্ষায় থাকো কেউ একজন তোমার চোখ থেকে শত শত ফোটা পানি পড়ার কারণ হবে!! . দিনের পর দিন যার সাথে ভালোবাসার মিথ্যে অভিনয় করে আসতেছো। একটু একটু করে একটা মানুষের বিশ্বাস নিয়ে মন মতো খেলতেছো। অথচ ও পাশের মানুষটা তোমার ছলনা কিছুই বুঝতে পারেনি, তাই বলে ভেবো না তুমি জিতে গেছো। অপেক্ষা করো একই ভাবে কেউ না কেউ তোমার ভালোবাসা নিয়ে মিথ্যে অভিনয় করে যাবে, তোমার বিশ্বাস নিয়ে খেলবে!! . আমি নিজেও এটা খেয়াল করেছি।  যদি কখনো কারো সাথে খারাপ ব্যবহার করেছি তো অন্য কোন দিন কেউ একজন তারচেয়েও বেশি খারাপ ব্যবহ...