.
অবসর সময়ে টিভির সামনে বসে টিভি দেখছি। টিভির চ্যানেলগুলো বারবার ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দেখছি।
.
টিভি দেখার সময়ে হঠাৎ একজন বলে উঠলো
-এই শোনো তো।
ডাক শুনে বুঝতে পারলাম তাহমিনা ডাকছে। রান্নাঘর থেকে এত মধুর ডাকের পিছনে নিশ্চয়-ই কারন আছে। তাই আমি পাত্তা না দিয়ে আবার টিভি দেখায় মন দিলাম।
.
কিছুক্ষণ পরে আবার রান্নাঘর থেকে শব্দ এল
-ওগো এদিকে আসো তো।
আমি বেশি মধুর সুরের লক্ষন দেখে টিভির সাউন্ড আরো বাড়িয়ে দিলাম।
.
কিছুক্ষণ পরে টিভি বন্ধ হয়ে গেল। তারমানে বুঝতে পারলাম তাহমিনা টিভি বন্ধ করে দিয়েছে। তাই আমি এমনিতেই বসে থাকলাম।
.
তাহমিনা আমার কাছে এসে বলল
-এই তোমাকে এতক্ষণ ধরে ডাকছি শুনতে পাচ্ছ না?
-টিভির সাউন্ড বেশি ছিল তো।
-এত সাউন্ড দিয়ে টিভি দেখতে হবে কেন? সাউন্ড কমিয়ে দেখতে পারো না।
-সবকিছু অল্প সাউন্ড এ দেখা যায় না।
-আচ্ছা হয়েছে। এখন আমার সাথে আসো।
-কোথায়?
-আসো তো আমার সাথে।
.
রাজি না থাকায় হাতধরে টানতে টানতে রান্না ঘরে নিয়ে এল। আমি এই দেখে বললাম
-কি ব্যাপার। আমাকে রান্না ঘরে নিয়ে আসলে কেন?
-কাজ আছে।
-মানে!! আমাকে এখন তোমার সাথে রান্না করতে হবে?
-এই তুমি এত বেশি বোঝ কেন? আমি কি তোমাকে রান্না করার জন্য এখানে এনেছি নাকি?
-তাহলে?
-তুমি আমার কাছে থাকবে। আর আমি রান্না করব।
-রান্না করার সাথে আমার কাছে থাকার কি সম্পর্ক?
-একা একা ভাল লাগছে না। তাই আমার লক্ষি স্বামীটাকে আমার কাছে থাকতে বলছি।
-কতটা লক্ষি একটু পরেই টের পাওয়াবো।
-কিছু বললে?
-না। কিছু না। আমি তোমার কাছে থাকছি।
.
তাহমিনা রান্না করছে আর আমি তাকিয়ে আছি তার মুখের দিকে তাকিয়ে আছি।
তাহমিনাকে বললাম
-এই আমি তোমাকে একটা চুমু খাব।
-এই কাজের সময়ে কোন দুষ্টামি না। কাজ করতে দাও।
-না চুমু খাবই।
-না। বলছি।
-আচ্ছা না।
-হ্যা।
-না।
-একবার নিষেধ করেছি বলেই রাগ করতে হবে? জানো না জোড় করে আদর করলেও মাঝেমাঝে মজা আছে।
-আচ্ছা তাহলে জোড় করেই আদর করি।
-এই না।
.
তাহমিনা এবার বলল
-আচ্ছা হয়েছে তো। এখন আমার লক্ষী স্বামীর মত আমার কাছে বসে থাকো।
-হুম।
.
আমি তাহমিনার দিকে তাকিয়ে আছি। তাহমিনা কোমড়ে শাড়ি বেধে রান্না করছে। একদম বাঙালি বউ এর মত লাগছে। আর চুলগুলো মুখে এসে পরায় তাকে আরো বেশি সুন্দর লাগছে।
.
তাই আমি তাকিয়ে আছি অপলক দৃষ্টিতে। কারন টিভি দেখার চেয়ে তাহমিনাকে দেখতেই ভাল লাগছে। তাহমিনাকে দেখতেই বেশি মনোযোগী হয়ে পরেছি।
.
লিখাঃ Asadur Rahman Hadi.
– এই যে মিস্টার বাদাম . কথাটা শুনে বন্ধ মুখ টা হা হয়ে গেলো। পার্কের টুলে বসে বসে বাদাম খাচ্ছি। এমন সময় মেয়েলী কন্ঠে এমন ডাক। এটা নিশ্চই কল্পনার বাইরে। . – এই আমার নাম আছে। আর আপনি অাগন্তুক কোথা থেকে এসে আমাকে মিস্টার বাদাম বলছেন?? – অামি অাপনার নাম জানি না তাই বাদাম খাচ্ছেন দেখে ওটা বললাম। – মাথায় সমস্যা??? – থাকতেও পারে। – ওই অাপনি অামাকে পাগল ভাবছেন?? – হতেও তো পারেন। – অাপনাকে অাপনাকে – কি?? – অামার মাথা। – তো এটা বলতে এরকম করা লাগে?? – ওহহ এই অাপনি কে?? – এতক্ষন যার সাথে ঝগড়া করছেন. – ও মোর খোদা অামারে উঠাই নাও না ক্যান। – দাড়ি বা মই কিছু তো খোদায় দিলো না উঠবেন কি করে?? – অাপনি কি পাবনা থেকে এসেছেন?? – মরতে যাবো পাবনা?? – তো অামাকে মারতে অাসছেন কেন?? – মারতে অাসলে তো সেই কখন মেরে ফেলতাম। – তো কেন এসেছেন?? – অাপনাকে নিতে। – কোথায়?? – পাবনায়। – অাপনার মাথায় সমস্যা অাপনি যান। – অাসুন তো। – কোথায়?? – অামার সাথে। – দেখুন অামার একজনের সাথে দেখা করার কথা। – লাগবেনা সেটা। – অাপনাকে অামি চিনিনা অাপনার সাথে কোথায় যাবো?? – এতক্ষন কথা বলার পরও অচেনা?? – হুমম ...